যে রক্তের বানে ইতিহাস হলো লাল..

রোমেল রহমান

ফাগুনের কোকিল ডাকা ভোরে নগ্ন পায়ে তরুন-তরুনী যুবক-যুবতীগণ এগিয়ে চলে প্রভাত ফেরীতে । সামনে একজন বিশাল একটি কালো পতাকা হাতে পথ দেখিয়ে চলেছে ; আর একজন গলায় হারমোনিয়াম ঝুলিয়ে সঙ্গীত পরিচালনা করছে। ওঁদের সবার হাতে ফুলের গুচ্ছ , সমবেত কন্ঠে গেয়ে চলেছে জাগরণী গান,

‘মৃত্যুকে যাঁরা তুচ্ছ করিল ভাষা বাঁচাবার তরে / আজিকে স্মরিও তাঁরে/ যে রক্তের বানে ইতিহাস হলো লাল , মৃত্যুর বাণে জীবনে জাগে বিষাদ/ সেই আত্মার ঘরে ঘরে / আজিকে স্মরিও তাঁরে / কোথায় বরকত , কোথায় ছালাম ? / সারা বাংলা কাঁদিয়া ফিরিছে ভাষা বাঁচাবার তরে।’

১৩৫৮ বঙ্গাব্দের ৮ই ফাল্গুনের স্মৃতি নিয়েই এই প্রভাত ফেরীর আয়োজন। বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের প্রতি শাসকগোষ্ঠীর পুলিশ বাহিনী গুলি বর্ষণ করে , শাহাদাত বরণ করেন বরকত ছালাম রফিক শফিকসহ অনেকে। তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্যই প্রতি বৎসর ৮ই ফাল্গুন ভোরে ছাত্র জনতা প্রভাত ফেরীর মাধ্যমে এই দিনটি উদযাপনের সূচনা করে।

কোন দিন ক্ষণ ঠিক করে কখনও কোন ভাষার জন্ম হয় নাই। ‘ভাষা একটি জাতির নানামুখী অভিজ্ঞতার ফলিত প্রকাশ’। এক বা একাধিক ভাষার ক্রমবিবর্তন ও ক্রমবিকাশের মাধ্যমেই ভাষার সৃষ্টি হয়। বাংলাভাষাও এভাবে সৃষ্ট একটি ভাষা।

৮০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যনত্দ সময়কালকে প্রাচীন বাংলাভাষার সময়সীমা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাভাষার উন্মেষকালের অন্যতম নিদর্শন চর্যাপদ। এই বাংলাভাষাভাষী ভূখন্ড ‘বাঙ্গালা’ বা ‘বাংলা’ নামে পরিচিত। এই অঞ্চলের প্রাচীন নাম ‘বঙ্গ’ বা ‘বাং’। প্রাচীন কালে বাংলার রাজারা দশ গজ উচুঁ ও বিশ গজ চওড়া প্রকান্ড ‘আল’ বা বাঁধ তৈরী করতেন । সম্ভবত প্রতিরক্ষার প্রয়োজনে তাঁরা ছোট ছোট পাহাড়ের ন্যায় দূর্গ প্রাচীর তৈরী করতেন। এইসব বাঁধের পাশের খাল বা নালায় যাতায়াতের জন্য নির্মাণ করা হতো ‘সাঁকো’। এই কারণে ‘বঙ্গ’ ও ‘আল’ এই দু’টি শব্দের সংমিশ্রণে ‘ বাঙ্গালা ‘ নামের উৎপত্তি হয়।সুলতান মুহম্মদ ইবনে তুঘলকের সময়ে ‘লক্ষ্মণাবতী'(গৌড়) , ‘বঙ্গ'(সোনারগাঁও)বা ‘বাঙ্গালা’ এবং ‘রাঢ়'(সপ্তগ্রাম) নামে তিনটি অঞ্চল ছিল।

সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ এই তিনটি অঞ্চলের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য স্থাপন করেন এবং একীভূত করেন। অতঃপর তিনি ‘ শাহ-ই-বাঙ্গালা ‘ এবং ‘ সুলতান-ই-বাংলা ‘ উপাধি গ্রহণ করেন। তিনি ১৩৪২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৩৫৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যনত্দ স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলার একচ্ছত্র সুলতান হিসাবে শাসন কার্য পরিচালনা করেন।

সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ৮৯৯ হিজরি মোতাবেক ১৪৯৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার মসনদে আরোহন করে ১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যনত্দ তাতে সমাসীন ছিলেন। তাঁর আমলে বাংলাভাষা রাজদরবারে পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে। সুলতানী আমলের ‘ বাঙ্গালা ‘; মুঘল আমলে ‘ সুবা-ই-বাংলা ‘ নামে পরিচিত ছিল ।

কালের গতি প্রবাহ এগিয়ে যায়। বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয় পলাশীর প্রান্তরে। বাংলার শাসনভার গ্রহণ করে ‘ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী’ ; পরবর্তী কালে বৃটিশ সরকার। তারা এই প্রদেশের নাম দেয় ‘বেঙ্গল’। ‘ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী’ তাদের শাসন , শোষণ ও অবাধ লুন্ঠনের স্বার্থে রাষ্ট্রভাষা ফারসী-র পরিবর্তনের তাগিদ অনুভব করে।

‘ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হলহেড’ নামক একজন বৃটিশ লেখক ১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে ‘এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ’ নামে একটি বই প্রকাশ করেন। এই বইয়ের ভূমিকায় তিনি কোম্পানীর স্বার্থে ফারসী-র বদলে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেন। তার এই প্রস্তাব গৃহীত হয় নাই। ফারসী-র বদলে ইংরেজীকেই রাষ্ট্রভাষা হিসাবে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী চালু করে।উপমহাদেশের জনগণ স্বাধীনতার জন্য নিয়মতান্ত্রিক ও সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। তারা উদ্বুদ্ধ হয় স্বাধীনতার চেতনায়। ভারতবর্ষের ‘লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা’ বা সাধারণ ভাষা কি হবে এই প্রশ্ন সুধী মহলে আলোচিত হতে থাকে।

১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ বিষয়ে তিনি হিন্দির পক্ষে মত প্রকাশ করেন।মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (পরবর্তীকালে ডঃ) এর বিরোধীতা করে ভারতবর্ষের সাধারণ ভাষা হিসাবে বাংলাভাষার দাবী পেশ করেন।

১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী বৃটিশ সরকারের কাছে লিখিত চিঠি দিয়ে বাংলার রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবী জানান। ২৩ শে এপ্রিল ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে প্রকাশিত ‘ দৈনিক আজাদ ‘ পত্রিকার সম্পাদকীয়তে বলা হয়

‘ সাহিত্যের দিক দিয়ে বাংলাভাষা ভারতের সমসত্দ প্রাদেশিক সাহিত্যের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। বাংলাভাষায় বিবিধ ভাব প্রকাশোপযোগী শব্দের সংখ্যাও বেশী। অতএব বাংলা সবদিক দিয়েই ভারতের রাষ্ট্রভাষা হবার দাবী করতে পারে।…’

১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশিম খসড়া ইশতেহারে বাংলাকে পূর্ব বাংলার রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেন। আবুল মনসুর আহমদের সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘ দৈনিক মিল্লাত ‘ এর ২৭ শে জুন ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের সংখ্যায় সম্পাদকীয়তে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাংলার পক্ষে অভিমত প্রকাশ করা হয়।

দৈনিক আজাদ ‘ পত্রিকার ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩০শে জুন তারিখের সংখ্যায় আবদুল হক ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ এবং ৩০শে জুলাই তারিখের সংখ্যায় মাহবুব আলম জাহেদী ‘রাষ্ট্রভাষা বিষয়ক প্রস্তাব’ শিরোনামে নিবন্ধ লিখেন। তাঁরা উভয়েই নিজ নিজ নিবন্ধে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাংলার পক্ষে মত প্রকাশ করেন।

একই পত্রিকার একই সনের ২৯ শে জুলাই তারিখের সংখ্যায় ‘ পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সমস্যা ‘ শীর্ষক নিবন্ধে ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন ,

‘ বাংলাদেশের কোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাভাষার পরিবর্তে উর্দূ বা হিন্দীভাষা গ্রহণ করা হলে এটা রাজনৈতিক পরাধীনতার নামান্তর হবে।’

অতঃপর ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ আগষ্ট তারিখে উপমহাদেশের এতদঞ্চলে বৃটিশের প্রত্যক্ষ শাসনের অবসান ঘটে। ‘দিল্লী প্রস্তাব’ মতে সংশোধন অনুযায়ী ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাবে’র ভিত্তিতে পৃথিবীতে পাকিস্তান নামে নতুন একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এতদঞ্চলের জনগণের মাঝে জাগে অনেক আশা , অনেক আকাঙ্খা।

তারপরও বাস্তব ঘটনা প্রবাহ মানুষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করে। তাই পূর্ব-বাংলা (পরবর্তীকালে পূর্ব-পাকিস্তান)র প্রতি পাকিস্তানী শাসক শ্রেণীর বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে গঠিত হয় ‘তমদ্দুন মজলিস’ , ঐ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর তারিখে।

এই সংগঠনই সূচনা করে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আবুল কাসেম।রাষ্ট্রভাষার দাবীতে প্রথম সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় ঐ বৎসর ১৫ই সেপ্টেম্বর তারিখে। সরকারী ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বর্তমানে ঢাকা কলেজ) এর ছাত্রাবাস ‘নূপুর ভিলা’য় ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারের আলোচ্য বিষয় ছিল ‘ পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দূ ‘। এতে অংশ গ্রহণ করেন আবুল কাসেম, কাজী মোতাহার হোসেন, ইব্রাহীম খাঁ, কবি জসিম উদ্দিন, কাজী আকরাম হোসেন,শামছুল হক ,শাহেদ আলী ও সানাউল্লাহ নূরী।

সেমিনারে ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ঘোষণাপত্রের আলোকে কর্মপন্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।একই বৎসরের ৬ই ডিসেম্বর তারিখে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে প্রথম ছাত্রসভা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলতলায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আবুল কাসেম। ঐদিন ছাত্রগণ একই দাবীতে মিছিলও করে। ঐ সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ কর্তৃক উত্থাপিত চারটি প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। প্রস্তাবগুলো হচ্ছে:

ক) বাংলাকে পাকিস্তান ডমিনিয়নের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ব-পাকিস্তানের সরকারী ভাষা ও শিক্ষার বাহন করা হোক।
খ) রাষ্ট্রভাষা ও লিংগুয়া ফ্রাংকা নিয়ে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে তার মূল উদ্দেশ্য আসল সমস্যাকে ধামাচাপা দেওয়া এবং বাংলাভাষা ও পূর্ব-পাকিস্তানের জনগণের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা গ) পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রী ফজলুর রহমান এবং প্রাদেশিক সরকারের মন্ত্রী হাবিবুল্লাহ বাহার উর্দুভাষার দাবীকে সমর্থন করার জন্য সভা তাদের আচরণের নিন্দা করছে।
ঘ) সভা মর্নিং নিউজের বাঙালী বিরোধী প্রচারণার নিন্দা জ্ঞাপন করছে এবং জনসাধারণের ইচ্ছার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের জন্য পত্রিকাটিকে সাবধান করে দিচ্ছে।(1)

রক্তের পথ বেয়ে এই আন্দোলন এগিয়ে চলে। সে চলা আজো শেষ হয় নাই। ‘ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী’ তাদের স্বার্থে এদেশে ইংরেজী ভাষা চালু করেছিল। তাদেরই প্রতিভূ লর্ড মেকলে এই উপমহাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে শাসন ও শোষণ করার জন্য একদল মানুষ সৃষ্টি করার সুপারিশ করেন , যারা রক্তে মাংসে হবেন এদেশীয় ( নেটিভ ) কিন্তু রুচি ও শিক্ষাদীক্ষায় হবেন বৃটিশ মনোভাবাপন্ন। এই লক্ষ্য নিয়েই তারা এদেশে সফলতার সাথে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিল। তার সুফল তারা এখনও পাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে শ্রদ্ধেয় আহমদ ছফা ছত্রিশ বৎসর আগে বলেছিলেন,

‘…বর্তমানেও এই বাংলাদেশে ইংরেজী মর্যাদার আসনে রয়েছে। তার কারণ এই নয় যে ইংরেজী অত্যন্ত সম্বৃদ্ধ ভাষা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। …ইংরেজী এই দেশে এখনো মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত রয়েছে এই কারণে যে ইংরেজরা যে সমাজ ব্যবস্থা সৃষ্টি করে গিয়েছিলো , তার কোন অদল বদল হয়নি।…ইংরেজরা যে শ্রেণীটি তৈরী করে দিয়ে গেছে সেই শ্রেণীটি এই দেশের প্রাণশক্তিকে বুকে পা দিয়ে দাবিয়ে রেখেছে। এই দাবিয়ে রাখার জন্য তারা সাম্রাজ্যবাদী , সম্প্রসারণকামী যে কোন দেশের সাথে আঁতাত গড়ে তুলতে পেছপা হবে না। বর্তমানে ইংরেজীর ছদ্মবেশে হামেশা যা দেখি তা হলো ঔপনিবেশিক মানসিকতা। এই ঔপনিবেশিক মানসিকতাই ঔপনিবেশিক অর্থনৈতিক পদ্ধতি থেকে দিনে দিনে প্রাণরস আহরণ করছে।এই ঔপনিবেশিক মানসিকতাই বাংলাভাষার সর্বপ্রধান শত্রু। তা যতোদিন পর্যন্ত দূর করা না যায় বাংলাভাষা ও সংস্কৃতি কখনো গণমুখী রূপ পরিগ্রহ করবেনা।’(2)

এই মানসিকতা ঝেড়ে ফেলে বাংলার গণমানুষের ন্যায্য অধিকার আদায় করার লক্ষ্যেই ভাষা আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন আমাদের অগ্রজেরা। সে লক্ষ্যের প্রতি অবিচল আস্থা রেখেই এগিয়ে নিতে হবে আন্দোলনকে। তবেই সার্থক হবে শহীদদের আত্মদান , কার্যকর হবে প্রভাত ফেরীর আয়োজন , আমাদের কাঁধ থেকে নামবে রক্তের ঋণের বোঝা।


তথ্যসূত্রঃ

  1. এম এ বার্ণিক লিখিত ‘রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, ঘটনা প্রবাহ ও প্রেক্ষিত বিশ্লেষণ’ / এ এইচ ডেভেলপমেন্ট পাবলিশিং হাউস কতর্ৃক জানুয়ারী ২০০৫ ; পৌষ ১৪১১তে প্রকাশিত/ পৃষ্ঠা: ৩১ থেকে ৪৪
  2. বাংলাভাষাঃ রাজনীতির আলোকে , মে উনিশশো পঁচাত্তুরে সুবর্ণ প্রকাশন , ঢাকা-এক থেকে প্রকাশিত / পৃষ্ঠা: ৩৩ ও ৩৪)

(লেখাটি ‘দৈনিক নওরোজ’ এ প্রকাশিত হয়েছে)

 

 

Advertisements

2 comments

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s