চলে গেছে..চিরতরে..

এটি একটি বাবুই পাখির গল্প। বাংলার কোন একটা সবুজ মফস্বল শহরের একটা গাছের ডালে বসে আশেপাশের প্রকৃতি দেখছিলো সে, মুগ্ধ চোখে। পলেস্তারা খসে পড়া পুরোনো দালান, দেয়াল আর অবারিত সবুজ বৃক্ষরাজী। সে যদি নিজেকে দেখতো তাহলে হয়তো অনেক বেশী মুগ্ধ হত, কিন্তু সে তো নিজের প্রতিকৃতি চেনে না। তাই পানির মাঝে দেখা সুন্দর পাখিটি কেন যে বের হয়ে উপরে উঠে আসে না সেটা সে কখনোই বুঝে উঠতে পারে নি।

আসলে সে ছিলো একা, অনেক একা। পানির নিচের পাখিটার মত কোনও পাখি খুজে না পেয়ে সে একা একাই গান গেয়ে কাটিয়ে দেয় দিন। পুকুরের পাশের গা ছম ছম করা কড়ই গাছের ছায়ায় পড়ে থাকা পাতার গায়ে আনমনেই আচড় কাটে সে, তবে এগুলো কে কবিতা বলা যায় না। কারন পাখিরা কখনো কবিতা লেখে না, কিন্তু সে মানুষ হলে অবশ্যই কবিতা লিখে খাতা ভরে ফেলতো, শীতের সন্ধ্যায় গায়ে একটা আধ ময়লা শাল জড়িয়ে নির্জন ছাপড়া দোকানে চা এর কাপ হাতে নিয়ে সাহিত্য নিয়ে বিতর্ক করতো।

কিন্তু সে তো পাখি, একলা পাখি দের গাছের ডালে উড়াউড়ি ছাড়া করার কিছু থাকে না, পাখিটার তাই সময়ও কাটতে চায় না। গাছের ডালে বসে বসেই ঠিক করে সে ঠিক করে একদিন সে ছবির মত সুন্দর এই শহর ছেড়ে চলে যাবে। যেখান থেকে সে কিছুই পায় নি, নিস্বঙ্গতার কিছু প্রহর ছাড়া, সেখানে তার কোনো বন্ধন নেই। নেই কোনো পরিচিত জন। তাই সে ভাবে, উড়ে বহুদূরের কোনো গ্রামে চলে যাবে।

যেখানে তার নিস্বঙ্গতার প্রহর শেষ হবে, তারই মত গ্রাম্য একটা বাবুই পাখির সাথে জুটি বেধে লোকালয় থেকে দূরের কোনো একটা তাল গাছে খড় দিয়ে বাসা বুনবে। আর সেখানেই কোনো এক সোনালী সকালে বরফ সাদা ডিম ফুটে মাথা করে কুতকুতে চোখে তার দিকে তাকিয়ে থাকবে তার নবজাতক।

এরকম অনেক দিবা স্বপ্ন খাওয়া আর ঘুম হারাম করে দেয়ার পর সকালের সূর্য্য যখন কেবল রোদ ছড়ানো শুরু করেছে, তার আগেই পাখিটি আকাশের ঠিকানায় উড়াল দিলো। ঠিক সেই সময় নিচের দিকে তাকালে সে দেখতে পেত একটি কিশোর বারান্দার গ্রীল ধরে অবাক চোখে তার উড়ে যাওয়া দেখছে। অথবা তার মুহুর্তের অনুপস্থিতিতে ছাতিম গাছের নীচের কাঠবিড়ালীটি কিভাবে সাজানো শুকনো পাতার বাগানটা এলোমেলো করে দিয়েছে সেটাও একলা পাখিটার অজানাই রয়ে যায় চিরদিন। কারন যে স্বপ্ন তাকে অজানার পথে উড়িয়ে নিয়ে চলেছে তা তার পিছুটানের চেয়ে তীব্র ছিলো। তাই শেষ পর্যন্ত সে সেই শহরের সীমানা ছাড়িয়ে দূরে..অনেক দূরে চলে গেলো আর কখনো ফিরে না আসার পরিকল্পনায়।

একটানা অনেক্ষন উড়ে চলার পর অভিমানী পাখিটার এক সময় মোহভংগ ঘটে। আশেপাশের কোনো কিছুই তার আর ভালো লাগে না, বার বার সেই শহরের কথা মনে পড়ে ফেলে আসা সেই পথ ঘাট প্রান্তর। অপরিচিত এই গ্রামীন পরিবেশ তার কাছে একেবারেই অসহ্য। নেহাত নাচার হয়ে সে একটা ডালে গিয়ে বসে..সে আগে কখনো নদী দেখেনি, একতলা সাদা বাড়ীটার পেছন দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর দিকে তাকিয়ে সে বিমর্ষ হয়ে যায়। শহরের নিসঙ্গতার সেই চেনা প্রহর গুলোকেই এখন অনেক আপন মনে হয়, নদীর ঐপাড়ের আকাশে মিশে যাওয়া সবুজ দিগন্ত রেখায় তাকিয়ে সে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

নদীর এই পাশে বাড়ির আশে পাশে সামান্য ঝোপ ঝাড় কাচাপাকা কয়েকটি ঘর আর গ্রামের মেঠোপথ। বাড়িটিকে ভালোভাবে দেখতে সে সামনের উঠোনের মৃতপ্রায় গুড়ির উপর এসে বসে। ছোট খাট ছিম ছাম একটা বাসা, উঠোন পেরিয়ে গ্রিল দেয়া বারান্দা। সেখানে কিছু চেয়ার টেবিল আর আসবাব পত্র, মনে হচ্ছে বাড়ির মালিক প্রভাবশালী কেউ হবে, বারান্দার টেবিলের উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা কিছু বই খাতা আর একটি খাচা। হ্যা সেই খাচায় একটা পাখি, আরেকটা বাবুই পাখি।

গল্পের শুরুতে যদিও বলা হয়ে ছিলো যে এটি একটি বাবুই পাখির গল্প, কিন্তু এখন আর একটি নয় বরং এটি দুইটি পাখির গল্প, যদিও তাদের কাহিনী একই। তারা দুইজনই নিজের জগতে অবরুদ্ধ, কিন্তু একই স্বপ্ন দেখে। আর তারা দুই জন একই রকম নিঃসংগ। যদিও খাচার পাখিটি কখনো শহর দেখেনি তারপরও সে নিজের খাচার জগতকে নিজের মত করে সাজিয়ে নিয়েছিলো। সেই খাচার ভেতরেই সে গুছিয়ে নিয়েছিলো আপন সংসার। খাচার পাশের টেবিলের বই খাতা সরিয়ে তার চোখ কদাচিত গাছের ডালে চলে গেলেও তা তাকে তেমনভাবে আকর্ষন করেনি কারন সে কখনো গাছের ডালে বসেনি, অথবা মুক্ত বাবুইটির মতো শুকনো পাতার বাগান ও তৈরী করেনি, সে এক অন্তহীন অপেক্ষায় খাচার দেয়ালে ঠেস দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতো।

মৃতপ্রায় গাছের গুড়িটার উপর বসে থাকা বাবুই পাখিটা অনেকক্ষন ধরেই খাচার বাবুই টিকে দেখছে। যদিও সে বুঝে উঠতে পারছেনা এই বন্দিত্বের কারন। শহরের বাসার বারান্দার মতই লাগে তার কাছে খাচাটিকে। শহর তার ভালো লাগে যদিও, তারপরও এরকম বাসায় থাকার কথা সে চিন্তা করতে পারে না কারন স্বপ্ন তাকে দেখিয়েছে তালগাছে খড় দিয়ে বোনা একটি বাসার ছবি। সে জানে না কোথায় এই খড় পাওয়া যায়, কিভাবে বাসা বানাতে হয় তা-ও জানে না। কিন্তু স্বপ্ন তো নাছোড়বান্দা ! বাসার চিন্তা তাকে এতটাই আনমনা করে দেয় যে সে আচমকাই গল্পের ধারাবাহিকতা ভেঙ্গেই উড়াল দেয়।

খাচার পাখিটা একমনে সবুজ দেখতে দেখতে হঠাত করেই খেয়াল করে তারই মতো একটা পাখি উঠোনের পাশে রাখা গাছের গুড়ি থেকে উড়ে দূর আকাশে উড়াল দিলো। তখনই তার মাথা সেই চিন্তাটা আবার মাথায় উকি দিলো, তাহলে কি সে দুঃস্বপ্নে যা দেখে তা-ই সত্যি? সে আসলে এই খাচায় বন্দি? বাইরের জগত কোনো ছবি নয়? সত্যি সত্যি গাছের ঐ ডাল গুলোতে সে বসতে পারবে মুক্ত হতে পারলে, আর উড়েও যেতে পারবে? প্রথম বারের জন্যে পাখিটা মুক্তির স্বপ্ন দেখে, বাইরের কল্পিত মনে হওয়া জগতটি যখন তার কাছে বাস্তব হয়ে ধরা দেয় তখন খাচার ভেতরে নিজের গড়ে তোলা সংসারটি তার কাছে ক্রমশ অর্থহীন আর অবাস্তব মনে হতে থাকে।

উড়ে যাওয়া বাবুইটা গ্রামের চারপাশে অনেকদূর ঘুরে আসে, গ্রামের অনেক কিছুই সে আগে কখনো দেখেনি। নদী-খাল-পুকুর, অনেক গাছপালা আর অসংখ্য পাখি। চড়ুই, ফিঙ্গে, ঘুঘু থেকে শুরু করে বাবুই পর্যন্ত অনেক পাখি-ই আছে। সে আগে কখনো এত পাখির সাথে মিতালী পাতে নি, কিন্তু তারপরও দিনের শেষে একমাত্র খাচার ঐ পাখিটার কথাই তার মন জুড়ে থাকে। তাই পরের দিন সে আবার সেই পাকা বাড়ীটাতে ফিরে যায়। বেশ কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর বাসার মেয়েটি পাখির খাচা বারান্দায় নিয়ে আসে, পড়ার টেবিলের এক কোনায় খাচাটা রেখে কি কাজে আবার ভেতরে চলে যায়।

বাবুইটা গাছ থেকে ধীরে ধীরে কাছে আসতে থাকে তিন চার ধাপে উঠানটা পেরিয়ে বারান্দায় ঢোকে, তারপর সোজা খাচার কাছে। বন্দী পাখিটিকে প্রচন্ড ভাবে চমকে দিয়ে সে শব্দ করে নিজের উপস্থিতি জানান দেয়, তারপর ভীরু পদক্ষেপে খাচার যখন আরও কাছাকাছি চলে আসে তখন খাচায় থাকা পাখিটিও তার প্রতিউত্তর দিতে শুরু করে। দূর থেকে তাদের মৃদু কিচির মিচির মিষ্টি সকালের তরল রোদকে অন্য রকম এক সার্থকতা এনে দেয়।

কিন্তু পাখি দুইটা কি নিয়ে কথা বলেছিলো? তা আমরা জানি না, কারন মানুষ পাখিদের ভাষা বুঝতে শেখেনি এখনও। কখনো কখনো আবেগ ভাষার সীমা ছাড়িয়ে অন্য এক উচ্চতায় চলে যায়। তাই আমরা অনুমান করে নিতে পারি তাদের কথোপকথন। আগেই বলা হয়েছে তাদের কোনো কিছুই এক রকম ছিলো না, জীবন পরিবেশ সব কিছুই ছিলো আলাদা। শহর থেকে আসা পাখিটা হয়তো সেই স্বপ্নটাই দেখিয়েছে খাচায় থাকা অসহায় পাখিটাকে যা তাকে বহুদূরের শহর থেকে তাড়িয়ে নিয়ে এসেছে। কারন খাচার পাখিটা অবাক চোখে সেই সব গল্প শুনছিলো আর ডানা ঝাপটাতে লাগছিলো।

এই কিচির হয়তো আরও অনেকক্ষন চলতো কিন্তু হঠাত করে মানুষজনের উপস্থিতি শহর থেকে আগত পাখিটাকে আবার দূরের গাছে গিয়ে বসতে বাধ্য করে। সে আবার নতুন করে গ্রামটাকে দেখতে বের হয়। কিন্তু কি আশ্চর্য ! এখন যা-ই সে দেখছে সব কিছুই ভালো লাগছে। সেই নদী, খাল, ছোট ছোট পুকুর আর গ্রামের বাজার সব কিছুই ভালো লাগছে তার চোখে। বরং শহরটা তার কাছে এখন অনেক ঝাপসা, স্বপ্ন থেকে অনেক দূরে। সে অনেক খুজে খুজে কয়েকটা তালগাছ খুজে দেখে, সেখানে বাসা বাধা যায় কি না। ক্ষেতের পড়ে থাকা খড় নিয়ে চেষ্টা করে দেখে বাসার বুনন দেয়া যাবে কি না। সারা গ্রাম খুজেও সে স্বপ্নে দেখা বাসার মত একটি জায়গা খুজে পায় না, তারপরও সে খুজতে থাকে কোথাও না কোথাও অবশ্যই সে খুজে পাবে সেই জায়গা, প্রয়োজনে গ্রাম থেকে দূরে নির্জন বনে চলে যাবে দুইজন। গল্পের মত তার স্বপ্নেও এখন বাবুই পাখি একটা নয়, দুইটা।

পরের দিন সকালে যখন আবার সেই বাড়িতে ফিরে আসে পাখিটা তখন আবিষ্কার করে খাচার পাখিটা তার অপেক্ষাতেই বসে ছিলো। আর যখন সে তার কাছে যায় দূর থেকে সহজেই বোঝা যায় পাখিটা নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টায় অবিরত ভাবে মাথা কুটে বেড়িয়েছে সারা রাত। সেই রক্তাক্ত মাথার দিকে তাকিয়ে কেমন যেন স্তব্ধ হয়ে যাওয়া একটা দৃষ্টি বাইরের বাবুইটার। দুই এক পা পিছিয়ে আসে, তারপর ছুটে দূর আকাশে ডানা মেলে চলে যায়। কত দূর? কে জানে..অনেক খুজেও তার আর নাগাল পাওয়া যায় না সারা দিন। ঐদিকে সারা দিন ধরেই খাচার পাখিটা অপেক্ষায় করে গেছে, সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত যতক্ষন না তার খাচাটা বাসার ভেতরে নিয়ে যাওয়া না হয়।

দুই দিন নিরুদ্দেশ থাকার পর আবার ঐ বাসার ডালে দেখা যায় পাখিটিকে। সে আবার ফিরে এসেছে, বাস্তবতার ভয়াবহতাকে অনেক কষ্টে কাটিয়ে উঠেছে, তাই আবার সে ফিরে এসেছে তার সঙ্গীর কাছে।

কিন্তু দুই দিনেই সব কিছু আলাদা মনে হয় তার কাছে। উঠোন গাছ পালা বারান্দা সব কিছুই আগের মত আছে, খাচাটিও আছে। বুকের ভেতর ধক করে উঠে পাখিটার। খাচার মধ্যে কিছু নেই! সে বারান্দায় যায়, নাহ পাখিটা নেই। তাহলে সে কি বের হয়ে গেছে? তার মালিক কি তাকে মুক্ত করে দিলো শেষ পর্যন্ত? না কি..?

না তেমন কিছু হয় নি, সারা রাত নিজেকে রক্তাক্ত করে ফেলার পর পাখির মালিক তাকে খাচা থেকে বের করে ভেতরে পা বেধে বাসার ভেতরে রেখে দিয়েছে। সেটা বুঝতে শহুরে পাখিটার বেশ খানিকটা সময় লাগে। তারপর কিছুক্ষন ওত পেতে থাকার পর সে বসার ঘরে ঢুকে পড়ে পাখাকে ফ্যানের শ্যেন দৃষ্টি এড়িয়ে নিজেকে নিয়ে চলে তার বন্দি জুটির কাছে। কিন্তু যখন সে পাখিটার কাছে যায় তখন উপলব্ধি করে আজকের পরিস্থিতি তার কতটা প্রতিকূলে। তাকে দেখা মাত্রই এমন কিচির মিচির শুরু করে দেয় পা বাধা পাখিটা যে বাড়ীর মালিক ফিরে এসে বাইরের পাখিটাকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর আবার কিছুক্ষন পর সে ভেতরে যায় এবং আবার সেই একই ঘটনা। সারা দিন এভাবেই চলে যায় তাদের। এভাবে কেটে যায় আরও কয়েকটি দিন।

তারপরও হাল ছাড়ে না বাবুইটা। বার বার প্রত্যাখ্যাত হলেও তার মনে হয় এই অভিমান একদিন না একদিন শেষ হবেই। আর তারা তখন দুই জন সফল ভাবে দড়ির বাধন থেকে নিজেদের স্বপ্নকে মুক্ত করতে পারবে। কিন্তু ওপাশ থেকে তার উত্তেজনার বিন্দুমাত্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। কি যে কথা হয়েছিলো তাদের মাঝে তা আমাদের একেবারেই অজানা। তবে সেটা যা-ই হোক এই ক্ষেত্রে বন্দী পাখিটা সামান্য ও আগ্রহ দেখালো না শহুরে বাবুইটার সাথে কথা বলার।

শেষ পর্যন্ত শহরের পাখিটা শহরেই ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, সময় লাগলেও এক পর্যায়ে সে বুঝতে পারে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের সকল চেষ্টাই বৃথা। আর কোনো এক সকালে সে উড়ালও দিয়ে দেয় পরিচিত আকাশ রেখা ধরে। নতুন করে আবার খাচায় ফিরে আসা পাখিটা এসবের কিছু জানে না। সে নিজের চারপাশে গড়ে তোলা অবাস্তব জগত নিয়েই আবার ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বাড়ির মালিক পর্যন্ত অবাক হয় পাখিটার এই মতি গতি দেখে, আর তাকে মুক্তি দেয়ার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে। ঐদিকে শহরের ফিরে আসা পাখিটা আবার সেই শুকনো পাতার বাগান গড়ে তোলার প্রয়াশ নেয়। কিন্তু এখন শহর বা গ্রাম কিছুই তাকে আর আকর্ষন করে না। শুধু মাঝে মাঝে নির্জন একটা তালগাছের মাঝে বাবুই পাখির একটা পরিবার কে দেখতে পায় সে। জোছনার রাত্রের উত্তলা বাতাসে সেই বাসা শন শন করে দোলে। তবে যে জুটিটা এই বাসা গড়ে তাদের মাঝে সে তার নিজের মুখ দেখতে পায় না। আর তার সঙ্গীও থাকে আরেকটা বাবুই, সেই বন্দী বাবুইটা না । এই স্বপ্নটা আসলে এখন আর তাদের দুইজনের কারোরই না, এটা এখন অন্য কোনো অচেনা বাবুই জুটির স্বপ্ন।

কৃতজ্ঞতাঃ এই গল্পের প্লট সাজাতে অনেকক্ষন অনলাইনে আমাকে সময় দিয়েছে সাদিয়া মনজুর, এই বিষয় নিয়ে গল্প লেখার বুদ্ধিটাও তার-ই ছিলো। আর গল্পের ভেতর যে সুন্দর স্কেচটা দেখছেন সেটা এঁকে দিয়েছে আয়েশা স্মৃতি।

Advertisements

15 comments

  1. i am speechless vaia…..really heart touching :’)
    thnnx alot for giving me the chance to help u.and i still cant believe that u wrote my name :)))
    i really enjoied reading it.thanx alooooot :)))

    apni kivabe eto shundor kore likhlenn???
    ami evabe likhte chaii :))

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s